প্যাকেজের মূল্য ২,১০,০০০/= টাকা। (৩ জন শেয়ার রুম)।
থাকার সুবিধা এবং আবাসন দূরত্ব

5-star হোটেলের সকল সুবিধা।

  • মক্কা হারাম শরীফ থেকে ০ (শূন্য) মিটারের মধ্যে মক্কা'র বাউন্ডারির সাথে লাগানো হিলটন টাওয়ার বা সাফওয়া টাওয়ার বা জমজম টাওয়ার।
  • মদীনা শরীফ : মসজিদে নববীর গেট থেকে ৫০ মিটারের মধ্যে (১-২ মিনিটের হাঁটা রাস্তা) দায়ার ইন্টারন্যাশনাল/ হিলটন/ তাকওয়া।
  • সকালঃ হোটেলে বুফেট ব্রেকফাস্ট।
  • দুপুরঃ আপনার নিজ ব্যবস্থা।
  • রাতেঃ আপনার নিজ ব্যবস্থা।
রওয়ানা ১ম কাফেলাঃ ডিসেম্বর ২০১৩।
২য় কাফেলাঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।
৩য় কাফেলাঃ জুন ২০১৪।
[মোট ১২ দিন- ১১ রাতের প্যাকেজ]।
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত

> আমাদের সকল ধরনের সার্ভিস চার্জ।
> উমরাহ্‌-র রিটার্ন এয়ার টিকেট (সব ধরনের ট্যাক্স - ভ্যাট সহ)।
> প্যাকেজে উল্লেখিত হোটেল সমূহে থাকা (হোটেলের সব ধরনের চার্জ সহ)। গোল্ডেন প্যাকেজে সকালে হোটেলে বুফেট ব্রেকফাস্ট।
> পবিত্র উমরাহ্‌ পালনের উপরে ১ টি বই, ১ টি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ও ১টি ডিভিডি।
> মেডিক্যাল চেকআপ সহায়তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ বাংলাদেশে রওয়ানা'র আগে গাইড লাইন।

পরিচালনায়ঃ মাওলানা লুৎফর রহমান, পেশ ইমাম ও খতিব, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ব্যবস্থাপনায়ঃ সেলিম রেজা, সালেহ রেজা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান

আলাদা ভাবে আয়োজন (যেমনঃ পরিবার নিয়ে আলাদা রুমে থাকার জন্য) যোগাযোগ করুন।
প্যাকেজঃ ২.১০ লাখ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানিঃ ১ লাখ টাকা

প্যাকেজের মূল্য ১,৪০,০০০/= টাকা। (৩/৪ জন শেয়ার রুম)।

থাকার সুবিধা ও

আবাসন দূরত্ব

  • মক্কাঃ হারাম শরীফ থেকে ৩০০ (তিনশত) মিটারের মধ্যে মক্কা'র বাউন্ডারির সাথে মেরিডিয়ানের পাশে ৯-১০ টি ভবনের মধ্যে।
  • মদীনা : মসজিদে নববীর গেট থেকে ৫০০ (পাঁচশত) মিটারের মধ্যে ঢাকা হোটেলের পাশে হোটেল রোতানা বা সমমান।
    (মক্কা ও মদিনাঃ হোটেল রুমে ৩/৪ জন শেয়ার)।
আহার
  • সম্পূর্ণ আপনার নিজ ব্যবস্থা।
রওয়ানা ১ম কাফেলাঃ ডিসেম্বর ২০১৩।
২য় কাফেলাঃ ফেব্রুয়ারী ২০১৪।
৩য় কাফেলাঃ জুন ২০১৪।
[মোট ১২ দিন- ১১ রাতের প্যাকেজ]।
প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত
> আমাদের সকল ধরনের সার্ভিস চার্জ।
> উমরাহ্‌-র রিটার্ন এয়ার টিকেট (সব ধরনের ট্যাক্স - ভ্যাট সহ)।
> প্যাকেজে উল্লেখিত হোটেল সমূহে থাকা (হোটেলের সব ধরনের চার্জ সহ)।
> পবিত্র উমরাহ্‌ পালনের উপরে ১ টি বই, ১ টি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন ও ১টি ডিভিডি।
> মেডিক্যাল চেকআপ সহায়তা, পুলিশ ভেরিফিকেশন সহ বাংলাদেশে রওয়ানা'র আগে গাইড লাইন।

পরিচালনায়ঃ মাওলানা লুৎফর রহমান, পেশ ইমাম ও খতিব, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ব্যবস্থাপনায়ঃ সেলিম রেজা, সালেহ রেজা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান

আলাদা ভাবে আয়োজন (যেমনঃ পরিবার নিয়ে আলাদা রুমে থাকার জন্য) যোগাযোগ করুন।
প্যাকেজঃ ১.৪০ লাখ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানিঃ ০.৭৫ লাখ টাকা টাকা

প্যাকেজের মূল্য

৫,৭৫,০০০/= টাকা। (কুরবানী ব্যাতিত)
স্বামী - স্ত্রী আলাদা রুম নিয়ে থাকতে চাইলে ১২০০০ রিয়াল বা ২,৬৪,০০০/= টাকা অতিরিক্ত লাগবে, ৩০ দিনের জন্য।

থাকার সুবিধা এবং আবাসন দূরত্ব
  • মক্কাঃ হারাম শরীফ থেকে ০ (শূন্য) মিটারের মধ্যে মক্কা'র বাউন্ডারির সাথে লাগানো হিলটন টাওয়ার বা সাফওয়া টাওয়ার বা জমজম টাওয়ার।
  • মদীনা : মসজিদে নববীর গেট থেকে ৫০ মিটারের মধ্যে (১-২ মিনিটের হাঁটা রাস্তা) দায়ার ইন্টারন্যাশনাল/ হিলটন বা সমমান। (মক্কা- মদিনা উভয়ঃ 5-star হোটেল ও হোটেলে ৪ জন শেয়ার রুম)।
  • শিশা-তে কুবরী রওজার পাশে মান সম্মত হোটেল এ হজ্জের সময় ৯ দিন থাকতে হবে। (হোটেল রুমে ৫ জন শেয়ার)।
আহার
  • সকালঃ হোটেলে বুফেট ব্রেকফাস্ট। (শিশাতে অবস্থানকালীন সময় ব্যতিত; ঐ সময় আমরা হালকা ব্রেকফাস্ট দিব, ইনশাআল্লাহ্‌)।
  • দুপুর ও রাতেঃ মাছ/মাংস, ডাল ও ভাত (এজেন্সীর ব্যবস্থা)।
  • কোথাও কোনো সফর চলাকালীন (যেমন, বিমানে, বাসে) এজেন্সী কোনোরকম খাবারের ব্যবস্থা করতে পারে না।
  • মূল হজ্জের সময়ঃ মিনায় খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। আরাফায় মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।
রওয়ানা ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪; ইনশাআল্লাহ; ২-১ দিন আগে/ পরে হতে পারে। মোটঃ ২৫ দিনের প্যাকেজ।

ফিরে আসা

১৫ অক্টোবর, ২০১৪; ইনশাআল্লাহ; ২-১ দিন আগে/ পরে হতে পারে।

পরিচালনায়ঃ মাওলানা লুৎফর রহমান, পেশ ইমাম ও খতিব, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ব্যবস্থাপনায়ঃ সেলিম রেজা, সালেহ রেজা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান

স্বামী - স্ত্রী আলাদা রুম নিয়ে থাকতে চাইলে ১২০০০ রিয়াল বা ২,৬৪,০০০/= টাকা অতিরিক্ত লাগবে, ৩০ দিনের জন্য।
প্যাকেজঃ ৫.৭৫ লাখ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানিঃ ১.২৫ লাখ টাকা (জনপ্রতি)।

প্যাকেজের মূল্য ৩,৮৫,০০০/= টাকা। (কুরবানী ব্যাতিত)

থাকার সুবিধা
এবং আবাসন দূরত্ব

  • মক্কাঃ হারাম শরীফ থেকে ৩০০ (তিনশত) মিটারের মধ্যে মক্কা'র বাউন্ডারির সাথে মেরিডিয়ানের পাশে ৯-১০ টি ভবনের মধ্যে।
  • মদীনা : মসজিদে নববীর গেট থেকে ৫০০ (পাঁচশত) মিটারের মধ্যে ঢাকা হোটেলের পাশে হোটেল রোতানা বা সমমান।
    (মক্কা ও মদিনাঃ হোটেল রুমে ৪/৫ জন শেয়ার)।
  • মূল হজ্জ চলাকালীন মিনা'র শিশা-তে কুবরী রওজার পাশে সাধারন মানের বাড়িতে হজ্জের সময় ৯ দিন থাকতে হবে [বাসার রুমে ৬ জন শেয়ার রুম]।
আহার
  • সকালঃ হাজ্জীদের সম্পূর্ণ নিজ দায়িত্বে।
  • দুপুর ও রাতেঃ মাছ/মাংস, ডাল ও ভাত (এজেন্সীর ব্যবস্থা)।
  • কোথাও কোনো সফর চলাকালীন (যেমন, বিমানে, বাসে) এজেন্সী কোনোরকম খাবারের ব্যবস্থা করতে পারে না।
  • মূল হজ্জের সময়ঃ মিনায় খাবারের ব্যবস্থা করা হবে। আরাফায় মোয়াল্লেম কর্তৃক খাবারের ব্যবস্থা থাকবে।
রওয়ানা ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৪; ইনশাআল্লাহ; ২-১ দিন আগে/ পরে হতে পারে। মোটঃ ২৫ দিনের প্যাকেজ।
ফিরে আসা
১৫- অক্টোবর, ২০১৪; ইনশাআল্লাহ; ২-১ দিন আগে/ পরে হতে পারে।

পরিচালনায়ঃ মাওলানা লুৎফর রহমান, পেশ ইমাম ও খতিব, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ব্যবস্থাপনায়ঃ সেলিম রেজা, সালেহ রেজা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান

প্যাকেজঃ ৩.৮৫ লাখ টাকা (জনপ্রতি)
বুকিং মানিঃ ১.০০ লাখ টাকা (জনপ্রতি)।


আমাদের সেবা সমূহঃ

১) আমাদের কাফেলা পরিচালনা করেন বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাওলানা লুৎফর রহমান; ব্যবস্থাপনায় আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই জন শিক্ষক সেলিম রেজা ও সালেহ রেজা এবং মাওলানা মাহমুদুল হাসান। মহান আল্লাহ-র উপরে ভরসা রেখে আমরা চেষ্টা করি– কথা দিয়ে কথা রাখতে। হজ্জের সফরে অনেক ব্যাপার আছে, যা আমাদের নিয়ন্ত্রনের বাইরে; সেই ব্যাপারে সাধ্যমত চেষ্টা করা ও মহান আল্লাহ-র রহমত কামনা করা ছাড়া উপায় নেই (যেমন, বাস এর যানজট)। কিন্তু, কিছু ব্যাপার আছে, যা এজেন্সী সমূহের ১০০% নিয়ন্ত্রনে ইনশাআল্লাহ (যেমন, কোন হোটেলে কতদিন থাকবেন, হোটেলের মান); এই সব ব্যাপারে আমাদের সুনাম ইনশাআল্লাহ আমাদের পূর্ববর্তী হাজ্জীদের কাছে থেকে পাবেন। মহান আল্লাহ-র উপরে ভরসা করে আমরা আশা করি, এই সব ব্যাপারে আমরা আমাদের হাজ্জীদের কাছে ১০০% মার্ক পাব, ইনশাআল্লাহ।

২) হজ্জ এমন ১টি ফরজ ইবাদত, যা জীবনে ১ বার ফরজ। তাই, হজ্জের বুকিং দেওয়ার পরেই আমরা প্রশিক্ষন শুরু করে দিই। প্রথমে আমরা হজ্জের বিস্তারিত পুস্তক দিই; এরপরে ডিজিটাল ও প্রিন্টেড ভার্সনে হজ্জের পাওয়ার পয়েন্ট প্রেসেন্টেশন দিয়ে দিই; এরপরে অডিও ভিস্যুয়াল লারনিং এর জন্য ডিভিডি দিই। পরিশেষে, হজ্জের উপরে দিনব্যাপি ৩ টি প্রশিক্ষন এর আয়োজন করি; যেখানে আমরা ধাপে ধাপে হজ্জের প্রতিটি ব্যাপার শেখাতে চেষ্টা করি। এবং নিঃসন্দেহে যে কোনো ব্যক্তি হজ্জ সম্পর্কে অনেক খানি জ্ঞান অর্জন করতে পারে এই ধাপ সমূহের শিক্ষা হতে।

৩) মক্কা ও মদিনাতে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। যেমনঃ মদিনা তে রয়েছে ইসলামের প্রথম মসজিদ “কুবা মসজিদ” (যেখানে ২ রাকআত নামাজ আদায় করলে ১ টি উমরাহ্‌-র সওয়াব পাওয়া যায়। রয়েছে কিবলাতাইন মসজিদ বা দুই কিব্লা মসজিদ; রয়েছে ইসলামের ইতিহাসের বিরাট একটি স্থান ওহুদের ময়দান। মক্কাতে রয়েছে ঐতিহাসিক হেরা পর্বত, জাবালে সাওর (যেখানে রাসুল (সাঃ) হিজরতে যাওয়ার পথে আত্মগোপন করেছিলেন); রয়েছে মিনা, আরাফাত এর মাঠ, মুজদালিফা সহ অনেক দর্শনীয় স্থান। আমরা মদিনাতে অবস্থান কালীন ১ দিন ও মক্কাতে ১ দিন সাইট সিয়িং বা জিয়ারত করি ঐ দর্শনীয় স্থান সমূহ।

৪) আমরা চেষ্টা করি– সবসময় বাঙ্গালী রুচিস্মমত খাবার পরিবেশন করতে। কিন্তু, এইটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার যে, একটি ১০০ জনের কাফেলাতে সবার রুচি একই রকম নয়। সেইক্ষেত্রে আমরা সন্মানিত আল্লাহ-র মেহমানদের এই সুবিধা দিয়ে দিই যে, উনারা স্বেচ্ছায় চাইলে নিজেরা আশেপাশের হোটেল থেকে নিজেদের রুচিমত খাবার কিনে খেতে পারবেন; যার জন্য আমরা জনপ্রতি প্রতি বেলায় ১০ রিয়াল মূল্য নগদ প্রদান করে দিই।

৫) বাংলাদেশে অবস্থানকালীন সময়ে মেডিক্যাল চেকআপ, পুলিশ ভেরিফিকেশন, পাসপোর্ট না থাকলে দ্রুত পাসপোর্ট এর ব্যবস্থা করার কাজ সমূহে আমাদের সাধ্যমত আমরা সহায়তা করি ও সেবা প্রদান করি। ভিসা- বিমান টিকিটের ব্যাপারে আমরা চেষ্টা করি– হাজ্জীদের বিন্দুমাত্র টেনশন যেন না হয়। সৌদি আরবে কুরবানীর ব্যাপারে আমরা পরামর্শ দিই– সৌদি সরকারের ব্যবস্থাপনায় সৌদি আল রাজি ব্যাংক ও আইডিবি ব্যবস্থাপনাতে কুরবানী করতে; এই সম্পর্কিত গাইড লাইন সমূহ আমরা দিয়ে থাকি।

এছাড়া, আমরা ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে হজ্জের কার্যকলাপ গুলো সহিহ ভাবে সম্পন্ন করার ব্যাপারে চেষ্টা করি।

>> আমাদের বিনীত অনুরোধ আমাদের সেবা সমূহ সম্পর্কে আমাদের আগের হাজ্জীদের কাছে থেকে উনাদের অনুভুতি জেনে নিবেন।

আমরা আমাদের সেবা সম্পর্কে (মহান আল্লাহ-র মেহেরবানীতে) আত্মবিশ্বাসী বলেই আমরা বারবার এই অনুরোধ করি।


 

হজ্জের সফরে এজেন্সী-দের সীমাবদ্ধতা-সমূহঃ

১) শুরুতেই মনে রাখবেন হজ্জ একমাত্র ইবাদত যেখানে, আর্থিক ও শারীরিক উভয় ধরনের সক্ষমতা প্রয়োজন। পুরো হজ্জের সফর কোনো সাধারন ধরনের ভ্রমণ নয়, এই দীর্ঘ সফরে (বিশেষত মূল হজ্জের ৩ দিন) আপনাকে বিভিন্ন পর্যায়ে শারীরিক ভাবে ক্লান্তিকর ও কষ্টকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হবে। হজ্জের নিয়্যত করার আগে এটা জেনে বুঝে নেয়া এবং সেই শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা অর্জন করা অত্যন্ত জরুরি। মনে রাখবেন যে, হজ্জের সময় সেখানে প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষের জনসমাগম হয়, যেখানে কেবলমাত্র টাকা দিলেই আপনার কষ্ট কমে যাবে- এই দৃষ্টিভঙ্গি থাকা অনুচিত। দেশে আপনার সামাজিক ও আর্থিক মর্যাদা অনেক উপরে হতে পারে, কিন্তু হজ্জের সফরে আপনি যাচ্ছেন আরো লাখো হজ্জযাত্রীর সাথে মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে, তাই এখানে সব ধরনের অহংকার বিসর্জন দিয়ে কষ্টসহিষ্ণু হওয়া প্রয়োজন। ইহরামের পোষাকের ন্যায় সবার মানসিক পরিচ্ছন্নতাও থাকা দরকার। হজ্জের সফরে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য দলনেতার আদেশ বিনা আপত্তিতে মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।

২) গোল্ডেন প্যাকেজে মক্কা মদিনাতে হোটেলে রুমে ৪ জন করে থাকবেন; হজ্জ চলাকালীন শিশাতে হোটেলে ৫ বা ৬ জন করে থাকবেন। সিলভার প্যাকেজে মক্কা মদিনাতে রুমে ৫ জন করে থাকবেন; হজ্জচলাকালীন শিশাতে ৬ জন করে থাকবেন। [আলাদা ভাবে স্বামী স্ত্রী'র রুমের ক্ষেত্রে এইটা প্রযোজ্য নয়]। আমরা আমাদের সামর্থ্য মত ভাল বাঙ্গালী খাবার দিব, ইনশাআল্লাহ। সেই খাবার পছন্দ হবে, ইনশাআল্লাহ। পছন্দ না হলে নিজ খরচে- নিজ ব্যবস্থায় খাবার কিনে এনে খেয়ে নিবেন (হোটেলের আশেপাশেই আপনি অল্প খরচে পছন্দমত মানসম্মত খাবার পাবেন)। [সেই ক্ষেত্রে এজেন্সীর কাছে থেকে প্রতি বেলার খরচ বাবদ ১০ রিয়াল করে পাবেন]।

৩) অনেকের হয়তো হুইল চেয়ার বা এই ধরনের বিশেষ সুবিধা প্রয়োজন থাকতে পারে। এই ক্ষেত্রে আপনাকে নিজেই এর ব্যবস্থা করে নিতে হবে। এরকম ক্ষেত্রে আপনার উচিত হবে নিজের ছেলে বা কোন আত্মীয়কে আপনার সাথে নিয়ে যাওয়া। বাসের কোন সিটে বসবেন, তা দলনেতা ঠিক করে দিবেন, এবং সেভাবেই বসতে হবে। নিজের স্বামী বা স্ত্রীর খোজ নিজে রাখবেন। বিশেষ করে বিমান, বাসে, মিনাতে, আরাফাতে এবং মুজদালিফাতে এটা অতীব জরুরি। নিজদায়িত্বে স্বামী- স্ত্রী এক-ই বাসে উঠবেন। বিদায়ী তাওয়াফ, নফল তাওয়াফ, নফল উমরাহ, শয়তান কে পাথর নিক্ষেপ করা, বেড়ানো– নিজ খরচে ও নিজ দায়িত্বেকরবেন। আমরা কিছু কাজ শিখিয়ে দিব– যেমন, শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা। কিন্তু, মূল দিন গুলোতে কাজ গুলো নিজ দায়িত্বে করবেন। (সময় মিললে আমাদের সাথে করবেন); সময়ে না মিললে (যেমন আমরা আসর বাদ যাচ্ছি; আপনি জোহর বাদ যাবেন); এমন অবস্থায় নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করবেন

৪) সকলের জানা থাকা দরকার–হজ্জের সময় সাধারন এসি বাস হতে পারে বা আরেকটু ভাল বাস হতে পারে; যেমন, মদিনাতে বাসের নিয়ন্ত্রন নাকাবা’র হাতে (মদিনা হজ্জ ট্রান্সপোর্ট অথরিটি)। এই ব্যাপারে এজেন্সীর সীমাবদ্ধতা থাকে। হজ্জের বাস গুলো ১১ মাস বন্ধ থাকে; যখন ১ মাস চলতে শুরু করে– তখন এমন হতে পারে যে– বাস গুলো মঝে মধ্যে মাঝ পথে কিছুক্ষনের জন্য নষ্ট হয়ে যাচ্ছে অথবা কখনো কখনো বাস থেমে গেলে কখনো কখনো এসি ও থেমে যায়; এই ব্যাপার গুলো এজেন্সির নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই এগুলো মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। বাসের ব্যাপারে আরো জানা প্রয়োজন যে, হজ্জের সফরে বিমান বন্দর থেকে হোটেলে যাওয়া, হজ্জের মূল ৫ দিন, মক্কা থেকে মদিনা, মদিনা থেকে মক্কা, হোটেল থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব– ইনশাআল্লাহ সঠিক সময়ে বাস আনতে; কিন্তু, বাসের নিয়ন্ত্রন কখনো সরকারের হাতে, কখনো নাকাবা অফিসের (মদিনা হজ্জ ট্রান্সপোর্ট অথরিটি) হাতে, কখনো মুয়াল্লিমের (মক্কার হজ্জ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ) হাতে– বাস অল্প সময় দেরি হওয়াই স্বাভাবিক, আবার কখনো দীর্ঘ সময়ও দেরি হতে পারে। এমনও হতে পারে, ঐ সময় রাস্তায় এসে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে; অথবা বাসে বসে থাকতে হবে, অথচ বাস ছাড়ছে না; এই অবস্থার পূর্ণ প্রস্তুতি থাকতে হবে।

৫) হজ্জের মূল ৩ দিন (৮-১০জিলহজ্জ) মক্কা থেকে মিনা; মিনা থেকে আরাফা; আরাফা থেকে মুজদালিফা—আমরা চেষ্টা করব– পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থা করতে, ইনশাআল্লাহ। কিন্তু, ঐ ৩ টি রুটে অতিরিক্ত হাজ্জীর চাপ থাকায় মাঝে মধ্যে সৌদি সরকারের হজ্জ মন্ত্রণালয় থেকে পর্যাপ্ত বাসের ব্যবস্থা না করায় অতিরিক্ত যাত্রীদেরকে চাপাচাপি করে দাঁড়িয়ে যেতে হতে পারে। এমন অবস্থার পূর্ণ প্রস্তুতি রাখতে হবে। এই ৩ দিন খাবার সরবরাহ করে সৌদি সরকার এবং মুয়াল্লিম; এজেন্সি নয়। সেই খাবার কখন সরবরাহ হবে তা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। দুপুরের খাবার হয়ত আসবে বিকেলে। এই কারনে, ঐ ৩ দিনের জন্য খাবারের ব্যবস্থা নিজে করে রাখবেন। (১১ জিলহজ্জ হতে আবার আমাদের দায়িত্বে খাওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ্‌)। তাছাড়া, বিমানে বা বাসে বা যতক্ষণ সফরে থাকব, তখনও নিজের খাবারের ব্যবস্থা আগে থেকে নিজে করে নিবেন।

পরিচালনায়ঃ মাওলানা লুৎফর রহমান, পেশ ইমাম ও খতিব, বনানী কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ
ব্যবস্থাপনায়ঃ সেলিম রেজা, সালেহ
রেজা ও মাওলানা মাহমুদুল হাসান

বিস্তারিত জানতে ফোন করুন

০১৬১৬ ০১৩৮৫৭ অথবা ৯৬৬৩৮৩১